ব্যর্থতাকে কিভাবে সফলতাতে পরিনত করবেন

Contact An Agent

ব্যর্থতাকে কিভাবে সফলতাতে পরিনত করবেন
ব্যর্থ হয়ে নিজেকে ভীতুর ডিম প্রমান করার কোন সুযোগ ব্যবসাতে নেই। ব্যবসা একটা গেম। আপনাকে এখানে আসলে মনস্থির করতে হবে যে, এই গেমে আপনাকে যেভাবেই হোক জিততেই হবে। যখন ব্যর্থ হবে তখন সফল মানুষদের গল্প করবেন। কারন ওই সময়টা আপনার মানুষিক শক্তি বৃদ্ধি করবে। কিন্তু আপনি যদি কাজটা আগেই করে যান, তবে ওই সময় সাফল্যর ওই গল্প পড়ে আপনার জন্য কিছুই করতে পারবে না। কারন আপনার ব্রেন এমনভাবে খেলবে যে, ওই সাফল্যর গল্পগুলো তুচ্ছ মনে হবে।
সময় অনুযায়ী প্রত্যেকটা পদক্ষেপ নেওয়া উচিৎ। এতে করে ওই পদক্ষেপটা আপনার জন্য কাজে দেয়। কখনও কখনও একটু অ্যাডভান্স হওয়া থেকে নিজেকে বিরত রাখা উচিৎ। এতে মঙ্গল ছাড়া অমঙ্গল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে বেশি। সারাদিন জ্যাক মা, আর বিল গেটস এর ইতিহাস পড়লে সেটা শুধু মানুষকে বলার মত গল্প করার কাজেই দিবে। আপনার কোন কাজে দিবে না।
ব্যবসাতে এসেছেন মানে, আপনাকে সম্পূর্ণ কন্সট্রেশনটা ব্যবসাতে রাখতে হবে। ব্যবসায়ীক অ্যাডভাইস এর জন্য কখনও কোন ব্যবসায়ীর কাছে যাবেন না। কারন প্রত্যেক ব্যবসায়ী তার নিজ নিজ ব্যবসাতে মগ্ন থাকে। তাই সে সেই যায়গা টা ভালো বলতে পারবে। এর বেশি কিছু তার থেকে আমি এক্সপেক্ট করি না।
ব্যবসায়ীক অ্যাডভাইস এর জন্য সর্বদা রিসার্চার এর কাছে যান। কারন একজন রিসার্চার সব ধরনের কোম্পানির সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করেই তবে একটা ভালো এস্টিমেট দিতে পারবে। যাইহোক আসল কথাতে আসি। আলবার্ট আইনস্টাইন একটা কথা বলেছিল
ব্যর্থতা হচ্ছে সাফল্যর একটি ধাপ
একজন ব্যর্থ মানুষ কিভাবে সাফল্যর দিকে যেতে পাড়ে, সে বিষয়ে কিছু কথা বার্তা বলার চেষ্টা করব।
ব্যর্থতা যেভাবে অসাধারন পরিবর্তন আনতে পারেঃ
একজন ব্যর্থ উদ্যোক্তা ২ টি জিনিস চিন্তা করতে পারে। প্রথমটি হচ্ছে হতাশা আর দ্বিতীয় টি হচ্ছে উন্নতির দিকে মনযোগী হওয়া। এখানে দ্বিতীয় পদ্ধতি টা অনেক কঠিন একটা কাজ । কারন মানসিক চিন্তাটা তখন চাইলেও ঠিক রাখা সম্ভব না। আর যে ঠিক রাখতে পারে, সেই পরবর্তী দিন সাফল্য নিয়েই তবে ফিরে আসে।
যখন একজন উদ্যোক্তা হোচট খায়, তখন সে জানে যে কি কারনে হোচট খেয়েছিল। আমি এই কারন ব্যর্থতার গল্প পড়তে বলেছি যে, আসলে সে কি কারনে সেই হোচট খেয়েছিল। যদি আপনি জানতে পারেন, তবে আপনি ওইটার জন্য নিজেকে তৈরি রাখতে পারবেন। ওই খারাপ সময়গুলো তে ব্রেঙ্কে সর্বদা চার্জে রাখতে হয় মোটিভেশনাল গল্প দিয়ে।
যদি আপনি ওই ব্যর্থ পয়েন্টগুলোকে এক যায়গা তে নোট ডাউন করতে পারেন, তবে পরবর্তীতে আপনার চলার পথ আরও সহজ হয়ে উঠবে।
ব্যর্থ ব্যাক্তি যেভাবে তৈরি করে সুন্দর মুহূর্তঃ
একজন ব্যর্থ উদ্যোক্তা যখন সফল হতে পারে, তখন একমাত্র সেই উদ্যোক্তা “আহ” মুহূর্তটা তৈরি করতে পারে। এটা ঠিক কঠিন একটা ম্যাথ সমাধান করার পর যে ফিলিং অনুভব হয়। এটা প্রথমে বুঝে উঠা অনেক কষ্ট।
এই মুহূর্ত এর কথা যদি ব্যর্থতার প্রতি সিম্পেথি দেখান, তবে আপনি হচ্ছে দুনিয়ার সবথেকে জঘন্যতম ব্যর্থ ব্যাক্তি। মুহূর্তটা তৈরি করার জন্য এবং সেই ফিলটা অনুভব করার জন্য হলেও আরও একবার চেষ্টা করা উচিৎ। আর বেশিরভার উদ্যোক্তা সেই পথের সন্ধানে আবার হাটেন এবং তারা একমাত্র সেই অনুভবটা বুঝতে পারেন। একজন ব্যর্থ উদ্যোক্তা আপনাকে এই যায়গাতে সাপোর্ট দেওয়ার সর্বদা হাত বাড়িয়ে রাখে।
ব্যর্থতা যেভাবে উদ্যোক্তা মনোবল বৃদ্ধি করেঃ
একজন ব্যর্থ ব্যাক্তি জানে যে, তার সাথে কি মিথ্যা হয়েছিল। আর উদ্যোক্তা ব্যাপারটা আসে সেই সময় যখন সে কিছু জানে না, ব্যর্থতা তাকে সেটার শিক্ষা দেয়। একজন ব্যর্থ ব্যাক্তি তার মেধাকে তখন ক্যাটাগরি অনুসারে ভাগ করতে পারে। কারন যা হয়েছিল সেটা তার এক্সপেক্টেড ছিল না । একজন উদ্যোক্তা অনেক কিছুই পরিকল্পনা করে নামে। আর যখন সে ব্যর্থ হয়, সে তখনি শুধুমাত্র বুঝতে পারে যে কি ধরনের পরিকল্পনা তৈরি করলে পরবর্তীতে সে আর সেই ভুল গুলো করবে না।
তাই ব্যর্থতা যে সুধু ব্যার্থতা আর জীবনের স্বপ্নগুলোকে যে মুছে দেয়, ঠিক তা না। এটা নতুন করে শক্তি আর সাহস যোগাতে সাহায্য করে। ব্যর্থ হওয়াটা একটা কপালের ব্যাপার।
৬ টা বিষয় সর্বদা মাথায় রাখবেনঃ
ব্যর্থতা কখনও শেষ হয় না। বরং ব্যর্থতা চলার পথটা শুরু করতে আপনাকে সাহায্য করে।
শুরুতেই যে আপনি সফল হবেন, সেটা কখনও আশা করবেন না ।
স্টার্টআপ ব্যর্থ হলে সেটা নিয়ে কষ্ট না পেয়ে নতুন করে চলার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। কারন সময় ইকুয়াল মানি।
দানব সব কম্পিটিটরদের কে ফলো করুন। তাদের কাছে কি অপারচুনিটি আছে আর আপনার কাছে কি নেই। সেটার জন্য ছুটতে থাকেন।
স্টার্টআপ ব্যর্থ হওয়ার পেছনে আপনার একা দোষ নেই। সুতরনাগ ব্যাপারটা ব্যক্তিগতভাবে নিয়ে কষ্ট পাবার কিছুই নেই।
নিজেকে মূল্যায়ন করুন এবং আস্থা ও বিশ্বাস রাখেন। কোন কিছুই আপনার বাধা হয়ে দাড়াতে পারবে না। collected